রংপুর-৩ আসনে ভোট পড়ল ২২ শতাংশ

রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের ছেলে এবং জাতীয় পার্টি প্রার্থী রাহগীর আল মাহি সাদ এরশাদ। ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও নির্বাচনে ছিলো না তেমন উত্তাপ। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ হলেও ভোটার উপস্থিতিও ছিলো অনেক কম।

শনিবার (০৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ঢিলেঢালাভাবে শুরু হয়ে বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষে দেখা যায়, ভোট পড়েছে মাত্র ২২ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

ভোটগ্রহণ বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রংপুরের পুলিশ হলে বেসরকারিভাবে জাতীয় পার্টি ও মহাজোট প্রার্থী প্রয়াত সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে রাহগির আলমাহি সাদ এরশাদকে (সাদ এরশাদ) বেসরকারিভাবে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

রংপুর-৩ আসনে ভোটার ৪ চার লাখ ৪১ হাজার ২২৪ জন। মোট কেন্দ্র ১৭২টি। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ২১ হাজার ৩১০ জন এবং নারী ভোটার দুই লাখ ২০ হাজার ৭৬২ জন। নির্বাচনে পুরো ভোটগ্রহণ হয় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম); যাতে ভোট গণনার পর ফল ঘোষণা দ্রুত সম্ভব হয়েছে বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা সাহতাব।

চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে মোট ভোট পড়েছে ৯৪ হাজার ৬টি। লাঙ্গল প্রতীকের সাদ এরশাদ পেয়েছেন ৫৮৮৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রিটা রহমান পেয়েছেন ১৬৯৪৭ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ পেয়েছেন ১৪৯৮৪ ভোট। এবার প্রদত্ত ভোট ২২ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

এ উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৬ প্রার্থী। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রিটা রহমান ধানের শীষ প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ মোটরগাড়ি, এনপিপির শফিউল আলম আম প্রতীক, গণফ্রন্টের কাজী শহীদুল্লাহ মাছ প্রতীক এবং খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল দেয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে লড়াই করেন।

গত ১৪ জুলাই এইচএম এরশাদ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ার পর আসনটি শূন্য হয়ে যায়।

Categories: জাতীয়,নির্বাচন,প্রধান নিউজ

Tags: