বরুড়ায় প্রতিপক্ষের করা ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলা খারিজ করেছে আদালত

বরুড়ায় প্রতিপক্ষের করা ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলা খারিজ করেছে আদালত

স্টাফ রিপোর্টার : কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের এগার গ্রামের মৃত-আকমত আলীর ছেলে আঃ খালেকের বিরুদ্ধে একই গ্রামের আহসান উল্লার ছেলে ইকবাল হোসেন (৩০) ও দেলোয়ারের ছেলে মোঃ মুহিন (২৫) বাদী হয়ে গত ২২ ও ২৫ আগস্ট৭ জন কে আসামী করে১০৭ ধারায় কুমিল্লা বিজ্ঞ আদালতে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করে।
পৃথক দুইটি মামলার বিবরণে আঃ খালেক সহ মামলার আসামীরা ইকবাল হোসেন ও মোঃ মুহিন এর জমি দখলের চেষ্টা ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে বলে মিথ্যা অভিযোগ করে।গত ২ সেপ্টেম্বর ও ৪ সেপ্টম্বর পৃথক দুইটি মামলার জবাব দেন আঃ খালেক।লিখিত জবাবে বলা হয় বাদীরা উদ্দেশ্যে প্রনোদিত হয়ে বসির ও নাসির গং এর প্ররোচনায় মামলা দায়ের করে।
প্রকৃত ঘটনা হলো,বসির গং গত ২৯ জুলাই আঃ খালেকের বসত বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের উপরে ফেলে দিয়ে জমি দখলের চেস্টা করে।উক্ত ঘটনার পরে আঃ খালেক বাদী হয়ে বরুড়া থানায় একটি জিয়ার মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলা ইকবাল ও মুহিন সহ ১৫ জন কে আসামী করা হয়। জবাবের সাথে উল্লেখিত হামলার আলামত স্বরুপ ছবি ও ভিডিও সিডি প্রদান করে আঃ হকের আইন জীবি।লিখিত জবাব বিজ্ঞআদালত আমলে নিয়ে পৃথক দুই মামলা মিথ্যা বলিয়া প্রমানিত হলে নির্ধারিত তারিখে মামলা দুইটি খারিজ করে দেয় আদালত।
এ বিষয়ে আ: খালেক বলেন, বসির গং গত ২৯ জুলাই আমার বসত বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা উপরে ফেলে দিয়ে জমি দখলের চেস্টা করে। এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে বরুড়া থানায় একটি মামলা দায়ে রকরি। উক্ত মালায় আসামীরা জামিনে বের হয়ে আমাকে প্রান ণাশের হুমকি দেয় ও মানুষের দীর্ঘ দিনের চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়ে আমার জমি দখল করে গাছের চারা লাগিয়ে দেয়।ছাড়া ও জিয়ার মামলার দুই আসামী ইকবাল হাসান ও মুহিন কে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে করা দুইটি মামলা আদালতে মিথ্যা প্রমানিত হয়।
বর্তমানে তাদের করা ৩৩ ধারা আরো একটি মামলা তদন্তাধিন রয়েছে।তারা একাধিক মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানী করেও তাদের কোন রকম উদ্দেশ্যে হাসিল না হওয়ায়, তারা বিভিন্ন ভাবে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।তাদের মামলা গুলো খারিজ হওয়ায় তারা উম্মাদ হয়ে,আমার দোকানের ভাড়াটিয়া কে দোকান ছেড়ে দিতে হুমকি দিচ্ছে। আমার বাড়ীতে বিদ্যুতের প্রয়োজনে পিলার বসানো যাবে না বলে ঠিকাদার কে স্বাসিয়েছে। আমার দখলীয় জমির গাছ কাটতে বদলাদের নিষেধ করে তারিয়ে দিয়েছে।বর্তমানে আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যারা জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছি।
এছাড়াও আঃ খালেক জানান, দোকানের ভাড়াটিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাত্তা চেয়ে বরুড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করবেন বলে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বিষয়ে ইকবাল হাসান, মুহিন ও বসিরের মুঠো ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।

Categories: কুমিল্লা

Tags: