লাকসাম রেলওয়ে টিকেট কালোবাজারী ;আতংকে রেলওয়ে কর্মকর্তারা

লাকসাম রেলওয়ে টিকেট কালোবাজারী ;আতংকে রেলওয়ে কর্মকর্তারা

এম এ কাদের অপুঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে সারা বিশ্বের একটি নাম করা সংস্থা, আর এই সংস্থার মধ্যে থেকে অনেক অনিয়ম অনেকেই করে থাকলেও প্রকাশ্যেই টিকেট কালোবাজারীর সাথে জড়িত আছেন কত লাকসাম কত বাত্তি ক্ষ্যাত লাকসাম রেলও্যে জংশনের নুরুল ইসলাম যে কিনা কর্মরত আছেন (W.R.B) ওয়েটিং রুম বেয়ারার পদে থেকেও সে প্রতিনিয়তই টিকেট বিক্রি করার দৃশ্য লাকসাম রেলওয়ে ষ্টেশনের প্রধান মাষ্টারের সামনেই কাউন্টারে বসে টিকেট বিক্রি করছে।

একজন ওয়েটিং রুম বেয়ারা কি ভাবে কাউন্টারে বসে টিকেট বিক্রি করছেন তা কিন্তু প্রশ্নবিদ্ধ?
গতকাল ২২-০৮-২০১৯ ইং তারিখে ৩ নাম্বার কাউন্টারে বসে আন্তঃনগর মেঘনা এক্সপ্রেস নামক ট্রেনের টিকেট বিক্তি করার পর অতিরিক্ত টাকা আদায় করার কারনে, কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানাধীন দিশাবন্দ গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে ঈমাম হোসেনের কাছ থেকে বেশি টাকা আদায় করার কারনে এক সময় পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীগণ নুরুল ইসলামের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে।
সকাল ৬.৪৫ মিনিটে মেঘনা ট্রেনটি লাকসাম থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর পরই চাঁদপুরগামী ডেমু ট্রেনের টিকেট বিক্রি না করে শুধু মেঘনা ট্রেনের টিকেট বিক্রিতে মশগুল থাকেন নুরুল ইসলাম।
চাঁদপুরগামী ডেমু ট্রেনের যাত্রীরা ১ ঘন্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে থাকতেও দেখা যায় যাত্রীদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন যাত্রী জানান, আমরা অনেক সময় টিকেটের অপেক্ষা করেও টিকেট পাচ্ছিনা অথচ আমাদের পরে আশা মেঘনার যাত্রীরা বেশি টাকা দিয়ে টিকেট নিয়ে যাচ্ছে এবং আমরা এর প্রতিবাদ করলে আমাদের কে বলা হয় ৬.৩০ মিনিটের আগে টিকেট দিবেনা।
কোথায় তার এই শক্তি ওয়েটিং রুমের বেয়ারা নুরুল ইসলামের
কার শক্তিতে সে সরকারের কোন নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে নিজের মনগড়ামত কাজ করছে এবং সে যেই ডিপার্টমেন্টের দায়িত্বে আছে, সেই ডিপার্টমেন্টের কোন খবর না রেখে অতিরিক্ত টাকার লোভে ষ্টেশনের মাষ্টার কামরুল ইসলাম তালুকদার কে ম্যানেজ করে এমন বেপরোয়া ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন W.R.B (ওয়েটিং রুম বেয়ারা) নুরুল ইসলাম।খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, নুরুল ইসলামের কাছে মহিলা ফ্যাসেঞ্জারের জন্য আলাদা একটা মায়া থাকে এবং মহিলাদেরকে হাঁসির মাধ্যমে টিকেট প্রদান করলেও টাকা বেশি নিতে কিন্তু ভুল মোটেও করেন না।
অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম জানান, আমাকে ডিসিও এবং ডিআরএম লিখিত অনুমতি দেওয়ার পরেই আমি টিকেট বিক্রি করি, এবং আমি ঈমাম হোসেন নামক যাত্রী থেকে ১৩৫ টাকার টিকেট ১৫০ টাকা নিয়েছি। কিন্তু রেলওয়ের সিসিএম সর্দার শাহাদাত আলী জানান, আসলে একজন ওয়েটিং রুম বেয়ারা টিকেট বিক্রি করার কথা আমি আদো জানিনা।
নুরুল ইসলামের সাথে পরবর্তিতে আবারো তার নাম্বারে কল দিলে তিনি জানান, আমাকে টিকেট বিক্রি করার জন্য ষ্টেশন মাষ্টার কামরুল ইসলাম তালুকদার অনুমতি দিয়েছে তাই আমি টিকেট বিক্রি করি।
ষ্টেশন মাষ্টার কামরুল ইসলাম তালুকদার জানান, আমি একটা মিটিংয়ে যোগদান করার জন্য আমি এখন চট্রগ্রাম আছি তাই ৩০ মিনিট পর কল দিবে বলে ১ঘন্টা ৫ মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পরেও কোন কল বা এসএমএস পাওয়া যায়নাই।
বেয়ারা নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আরো জানতে দেখুন ২য় পর্বে………।

Categories: অপরাধ ফলোআপ,কুমিল্লা

Tags: