মানুষের আনাগোনা চিরায়িত রূপের আশুলিয়া ফাঁকা

মানুষের আনাগোনা চিরায়িত রূপের আশুলিয়া ফাঁকা

মশিউর রহমানঃ শিল্পাঞ্চল-আশুলিয়ায় ছোট-বড় মিলে মোট প্রায় এক হাজার দুইশ পোশাক কারখানা রয়েছে। এ কারখানাগুলোতে প্রায় ৩৫ লাখ মানুষ কাজ করেন। প্রতিদিন কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে নির্ঘুম রাতে এখানকার অলি-গলিতে চলে শ্রমজীবি মানুষের আনাগোনা। এছাড়া অন্য পেশার মানুষেরাও বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে এ অঞ্চল। একদিকে শিল্প-কারখানার মেশিনের ঘট-ঘট শব্দ, অন্যদিকে কর্মজীবি মানুষের কোলাহলে পাল্টে যায় পুরো শিল্পাঞ্চলের প্রেক্ষাপট।
পরিবার-পরিজনদের সাথে ঈদ উৎসবকে ভাগাভাগি করতে গত রোববার আশুলিয়া ছেড়েছেন বিভিন্ন পেশার কর্মমূখী মানুষ। এতেকরে পুরো অঞ্চল ফাঁকা হয়ে গেছে।

লাখ-লাখ মানুষের পদচারণায় মুখরিত যানজটের চিরায়িত রূপের আশুলিয়া এখন ফাঁকা। কোথাও কোলাহল বা দীর্ঘ ট্রাফিক জ্যাম নেই। মানুষের অন্যতম প্রধান পরিবহন বাসের আধিক্য নেই বললেই চলে। বাস, মিনিবাস, কাউন্টার সার্ভিস ও হিউম্যান হলারসহ অন্যান্য বাস সার্ভিসও চলছে নামে মাত্র।

শিল্পাঞ্চল-আশুলিয়া ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা চিত্র ছিল চোখে পড়ার মতো। যেসব সড়ক-মহাসড়কে ছিলো বাস-মিনিবাস, অটোরিক্সা, ইজিবাইক ও রিকশা আর হকারদের দখলে, এখন সেই সব জায়গার চিত্র একেবারেই ভিন্ন। যানবাহনের সঙ্গে কমে গেছে হকারের সংখ্যাও।
আমজাদ নামের এক স্থানীয় জানায়, যেই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন লাখ-লাখ মানুষ চলাফেরা করতো ঈদের ছুঁটি হওয়ায় এখন এ অঞ্চল ফাঁকা হয়ে গেছে। ঠিকমত গাড়িও পাওয়া যায় না। চারিদিকে তাকালে মনে হয় এক প্রকার শূণ্যতা বিরাজ করছে।
রনি নামের এক দোকানী জানায়, দোকান খুলছি হুদাই। কোন লোকজন নাই ও বেচা-কেনাও নাই। ঈদ বন্ধের কয়দিন দোকান বন্ধ রাখবো।

Categories: ঢাকা

Tags: