দপ্তর আছে দক্ষতা নাই আইন আছে প্রয়োগ নাই

দপ্তর আছে দক্ষতা নাই আইন আছে প্রয়োগ নাই!!

মাহফুজ বাবু : আইন অনুযায়ী নিজের আবাদি কৃষি জমির মাটি কাটতে অনুমিত লাগবে কৃষি ও ভুমি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের । কৃষি জমিতে হালচাষ করা ট্রাক্টরে ট্রলি লাগিয়ে কৃষি পণ্যাদি ব্যাতিত সড়কে অন্য মালামাল বহন করা যাবে না। পরিবেশ এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্টকারী কিংবা অপচয়কারীর জবাবদিহিতা সহ ক্ষতিপূরণ এবং শাস্তির বিধান রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই তা কবল কাগজে কলমে, এসব আইনের প্রয়োগ কমই । শতশত ইটভাটার মাটির জোগান দিতে আর মাটি খেকো ব্যাবসায়ীদের দৈরাত্বল কুমিল্লার গোমতী নদীর দুপাড়ের চরের বিস্তির্ণ আবাদি জমির মাটি কেটে সাবার করা হচ্ছে কৃষি জমি। মাটি বহনের ট্রাক্টর, ড্রাম ট্রাক, লড়ির চলাচলে সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরছে দ্রুত। শুষ্ক মৌসুমে ধুলোবালিতে নিমজ্জিত আর বর্ষায় কাঁদা জলে পথচলার অনুপযোগী হচ্ছে সড়কগুলো। আর পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি তো হচ্ছেই।

রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতি সড়ক নষ্ট হচ্ছে বছর না ঘুরতেই। দেশের হাজার কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ চোখের সামনেই হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত! কৃষি জমি উজার হচ্ছে দিনের পর দিন। পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব পরছে। এতো কিছুর পরেও নিরব রাষ্ট্রের বেতনভোগী সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। না আছে নিজেদের নদদ জরদারী না আছে তাদের কোন কার্যক্রম! মাস গেলে রাষ্ট্রের কোষাগার থেকে বেতন নেয়া দুর্নীতি করা ছাড়া তাদের কোন কর্মই জনগনের চোখে পরে না। লোকবলের অভাব আর নিজেদের সমস্য দেখানো দেশের অলস এসব দপ্তরগুলোর কর্মকর্তাদের রেখে লাভটা হচ্ছে কি? যদি তাদের কার্যক্রমই না থাকে.!!

ছবি : বুড়িচং উপজেলার খামারখারা ও পালপাড়া এলাকা থেকে তোলা।

Categories: মতামত বিশ্লেষণ

Tags: