কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ বিহীন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ বিহীন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

 

 

 

 

 

 

স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। গেলো নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনী আবহাওয়া অনেকটাই ভিন্ন। তাই এই নির্বাচন অস্তিত্ব স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ত রক্ষার বড় একটি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

ক্ষমতাসীন দল যখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি ঠিক তখনই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ একেবারেই নিরব। বিশাল সংখ্যক তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেই এই সংগঠনটির। ছাত্রলীগের এই নীরবতা নিয়ে অনেকের মধ্যে জন্মনিয়েছে নানা প্রশ্নের। তবে নেই কোন সুদুত্তর, দেখা নেই কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের।

আওয়ামী লীগের অতীতের নির্বাচনী কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ যাবৎকালে আওয়ামী লীগের যে ক’টি নির্বাচনে সফলতা এসেছে তার মূলে ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তবে, একাদশ সংসদ নির্বাচনে এই সংগঠনে নেই কোন আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে থাকা এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বলেন, নামেই শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ ; তবে কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ। আপার ছাত্রলীগ ব্যানারে শোভন -রাব্বানী পার করলেন ৪ মাস। ৩২৩ পদপ্রার্থীর বেশির ভাগই দিশেহারা; এভাবেই চলছে শোভন -রাব্বানীর নতুন ছাত্রলীগ। উৎসব মুখর পরিবেশেই চলছে নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা, তবে কোথাও দেখা নেই ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের। এদিকে লম্বা সময় পেরিয়ে গেলেও হয়ে ওঠেনি ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি। ফলে আগের কমিটিতে থাকা অনেক তুখোড় নেতারা এখন অবসরে।

২০০৮ সালে শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলন ও বৈরী পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণা এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে-পরে বিএনপি-জামায়াতের সহিংস আন্দোলন প্রতিরোধে ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। কিন্তু ২০১৮ সালের নির্বাচন দোরগোড়ায় কড়া নাড়লেও এ নিয়ে যেন কোনো মাথাব্যথা নেই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনটির।

শেষ পর্যায়ে এসে ছাত্রলীগের এরুপ আচরণ আসন্ন নির্বাচনকে কতটুকু প্রভাবিত করবে তা নিয়ে থেকে যায় সংশয়।

Categories: নির্বাচন,রাজনীতি

Tags: